ডাইং কি | ডাইং এ ব্যবহৃত কেমিক্যালগুলো কি কি

ডাইং করা সুতা
ডাইং করা সুতা

ডাইং কি?

ডাইং এমন একটি প্রক্রিয়া যা দ্বারা বস্তুর ভৌত ও রাসায়নিক গুণাবলী পরিবর্তন করা যায়। ডাইং প্রসেসে বস্তুর গুনাগুনের পরিবর্তনের ফলে বস্তুর ভৌত ও রাসায়নিক বৈশিষ্ট্যের পরিবর্তন ঘটে থাকে এবং এ পরিবর্তনের ফলে ডাইড বস্তুর উপর আলো প্রতিফলিত হয়ে রঙিন বস্তু হিসাবে আমাদের চোখে পতিত হয় তাই ডাইং। 

তাছাড়া কোন দ্রব্যকে ডাইং করলে দ্রব্যের ভৌত ও রাসায়নিক গুনাগুন পরিবর্তন হয়, ভৌত এবং রাসায়নিক গুণাবলী পরিবর্তন হওয়ার ফলে দ্রব্য/বস্তুর উপর আলো পরলে তা প্রতিফলিত হয়ে রঙিন দেখায়।

ডাইং কাকে বলে?

যে প্রক্রিয়ার ফলে বস্তুর ভৌত ও রাসায়নিক বৈশিষ্ট্যের পরিবর্তন ঘটে এবং এ পরিবর্তনের ফলে ডাইড বস্তুর উপর আলো প্রতিফলিত হয়ে তা রঙিন বস্তু হিসেবে আমাদের চোখে পতিত হয় তাকে ডাইং বলে।

আবার অন্যভাবে বলা যায় ফাইবার, সুতা বা কাপড় রং দ্রবণে ডুবিয়ে সম্পূর্ণ দ্রব্যকে রঙিন করার ভৌত ও রাসায়নিক প্রণালীকে ডাইং বলে।

ডাইং এর শর্তসমূহ?

তবে ডাইং এর ক্ষেত্রে কিছু নির্দিষ্ট শর্ত যেমনঃ তাপমাত্রা, সময়  ও PH কে সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ করে এবং কেমিক্যালস সহযোগে টেক্সটাইল দ্রব্যকে ডাইং মেশিনের সাহায্যে ডাইং করা হয়। 
তবে এ ক্ষেত্রে বিবেচ্য বিষয় হলো কোন ফাইবারের ক্ষেত্রে কোন প্রকার ডাইং ব্যবহার করতে হবে, আবার কোন সুতা বা কাপড়ের জন্য কি ধরনের ডাইং মেশিন লাগবে, ডাইং কাজটি অ্যালকালি বা অ্যাসিড মিডিয়ামে সম্পন্ন করতে হবে কিনা, ডাই বাথের মধ্যে কাপড় বা সুতা সার্কুলেশন করতে হবে কি না ইত্যাদি। 

ডাইং এর উদ্দেশ্য কি কি?

  • কাপড়কে নির্দিষ্ট একটি রং দিয়ে সম্পূর্ণ কাপড়কে সঠিক এবং সমানভাবে রং করা।
  • কাপড়ের বাহ্যিকভাবে সৌন্দর্য বৃদ্ধি করা এবং আকর্ষণীয় করা।
  • কাপড়কে প্রিন্টিং এর উপযোগী করা।
  • ভালো কোয়ালিটির রং এর সাহায্যে ডাইং করে ক্রেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করা ইত্যাদি।
  • এছাড়াও কাপড়কে রপ্তানিযোগ্য করে তোলা।
  • তন্তু থেকে বস্ত্র তৈরির বিভিন্ন ধাপের যেকোনো ধাপে রং প্রয়োগ করে বস্ত্র বা পোশাককে অনেক আকর্ষণীয় ও মনোরম করে তোলা যায়।

ডাইং এর প্রকারভেদ?

ডাইং দুই ধরনের হয় যেমনঃ
  • প্রাকৃতিক বা আসল রং (Natural Dye)
  • কৃত্রিম রং (Artificial Dye)

প্রাকৃতিক বা আসল রং (Natural Dye) কি?

মানুষ পোশাকে বৈচিত্র্য আনার জন্য কাপড়ে রঙের ব্যবহার শুরু করে।বস্ত্রে রং করার প্রচলন আদিকাল থেকে চলে আসছে।

যখন কৃত্রিম রং আবিষ্কার হয়নি, তখন মানুষ প্রাকৃতিক দ্রব্যাদি থেকে রং আহরণ করত। তখন গাছের ফুল,ফল,পাতা,মূল-কান্ড,বাকল ইত্যাদি থেকে যে রং আহরিত হতো সেগুলোর নাম উদ্ভিজ্জ রং(Vegetable Dye)। 

শেফালি, পলাশ, কুসুম ইত্যাদি ফুল থেকে এ রং তৈরি হয়।পান খাওয়ার জন্য যে খয়ের ব্যবহৃত হয় তা থেকেও রং পাওয়া যায়। বিভিন্ন প্রাণিজ,খনিজ দ্রব্য ইত্যাদি প্রাকৃতিক বস্তু বস্ত্র রঞ্জনের কাজে ব্যবহৃত হতো।

যেমনঃ রেশম ও পশমের জন্য কোচিনি ট্রেপ, লাক্ষ্য ইত্যাদি ব্যবহৃত হয়। এদের নাম প্রাণীজ রং(Animal Dye) উদ্ভিজ্জ ও প্রাণীজ উৎস ছাড়া ধাতব উৎস থেকে যে রং পাওয়া যায় এদের নাম ধাতব রং।যেমনঃ প্রুশিয়ান নীল, ক্রোম হলুদ ইত্যাদি।

কৃত্রিম রং (Artificial Dye) কি?

যে রং বিভিন্ন উপাদানের সংমিশ্রণে কৃত্রিম ভাবে তৈরি করা হয় তাকে কৃত্রিম রং বলে।

কৃত্রিম রংগুলোকে কয়েক ভাগে ভাগ করা হয়ঃ


১.অম্ল বা এসিড ডাই (Acid Dye) কি?

এসিড ডাই কতগুলো অম্ল বা এসিডের রাসায়নিক লবন দ্বারা গঠিত। সুতা বা বস্ত্র রং করার সময় বিভিন্ন রকম এসিড ব্যবহার করা হয় বলে এ জাতীয় রং কে এসিড ডাই বলে। যেমনঃ নাইলনন, ওরলন ইত্যাদি। সাংশ্লেষিক,রেশম ও পশম তন্তু রংকরনের ক্ষেত্রে এসিড ডাই ব্যবহার করা হয়।

বস্ত্রাদি রং করার সময় রঞ্জক দ্রব্যের সাথে হাইড্রোক্লোরিক অথবা লঘু অ্যাসিটিক এসিড ব্যবহার করা হয়।বাণিজ্যিকভাবে রংকরনের ক্ষেত্রে এই পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। বস্ত্র শিল্পে এ জাতীয় রঙকে বাণিজ্যিক রং বলে।

২. ক্ষার জাতীয় বা ব্যাসিক ডাই কি?

এটি প্রথম আবিষ্কৃত কৃত্রিম রং। ক্ষার জাতীয় রং সুতি,লিনেন,রেয়ন,রেশম ও পশম বস্ত্র রংকরণের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়। 

এ জাতীয় রং বাজারে পাউডার বা দানা আকারে পাওয়া যায়। রং যাতে পানিতে সহজে দ্রবীভূত হয় সেজন্য অ্যাসিটিক এসিড বা ফিটকিরি ব্যবহার করা হয়।

৩. ডাইরেক্ট বা প্রত্যক্ষ রং(Direct Dye) কি?

সুতি বা লিনেন এবং রেয়ন তন্তুতে কোনো মরড্যান্ট বা আস্তর জাতীয় রং ছাড়া যে রংগুলো সরাসরি প্রয়োগ করা হয় তাদের ডাইরেক্ট ডাই বলে। সুতি তন্তুর উপর এ ধরনের রং পাকা হয়না। ধোয়ার সময় রং সহজে উঠে যায়, আলোতে এর উজ্জ্বলতা থাকেনা। আলোর ক্ষতিকর প্রভাব থেকে রক্ষা করার জন্য প্রকৃত রং করার পর তুঁতে এবং অ্যাসিটিক এসিডগুলো ১৫-২০ মিনিট সুতা বা বস্ত্রটি সিদ্ধ করতে হয়।

৪. ন্যাপথল বা এজোইক রং(Azoic Dye) কি?

এই জাতীয় রং পাকা হয়। সুতি বস্ত্র রং করা ও ছাপার কাজ করার সময় এই রং ব্যবহৃত হয়। এই পদ্ধতিতে কাপড়টি প্রথমে ন্যাপথলে ডুবিয়ে পরে ডায়োজোটাইড এর দ্রবনে ডোবানো হয়। রং করার পর কাপড়টি কয়েকবার সাবান দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হয়।


৫. পিগমেন্ট রং (Pigment Dye) কি?

পিগমেন্ট রং ছাপার কাজে ব্যবহার করা হয়। এই রং তৈরিতে জৈব দ্রবনের সাথে সংশ্লেষিক পিগমেন্টের দ্রবন ব্যবহার করা হয়।

৬. ভ্যাট রং (Vat Dye) কি?

সুতি,লিনেন ও রেয়ন বস্ত্রে প্রয়োগ করা হয়।ভ্যাট রং তিন ধরনের নীল ভ্যাট, অ্যানথ্রাকুইনোন ভ্যাট এবং সালফার ভ্যাট। বর্তমানে এ রং পাউডার হিসেবে বাজারে পাওয়া যায়। এই রং সোডিয়াম হাইড্রোসালফাইড ও কস্টিক সোডার মিশ্রণের সাহায্যে পানিতে দ্রবীভূত করে বস্ত্রে প্রয়োগ করা হয়।সুতি কাপড়ে ভ্যাট রং বেশ পাকা হয়। 

ঠান্ডা পানিতে ভ্যাট মিশানো যায় না। গরম পানিতে মেশাতে হয়।এজন্য রেশমি কাপড়ে এ রং প্রয়োগ করা যায়না। তীব্র ব্লিচের সংস্পর্শে আসলে এ রং নষ্ট হয়না এবং পানিতে দ্রবীভূত হয়না।

৭. ভেজিটেবল ডাই (Vegetables Dye) কি?

গাছগাছালি, লতাপাতা বা ফলমূল দিয়ে যে রং তৈরি করা হয় তাকে ভেজিটেবল রং বা উদ্ভিদ জাতীয় রং বলা হয়।

৮. ডেভেলপড ডাই (Developed Dyes) কি?

ডেভেলপড ডাই বা বিকশিত রং সুতি লিনেন,রেয়ন অ্যাসিটেট কাপড়ে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। ধোয়ার পর এ রং খুব একটা নষ্ট হয় না।কিন্তু আলোর প্রভাবে রং সামন্য হালকা হয়ে যায়।

কতগুলো ডাইরেক্ট ডাই আছে যা বিশেষ কতকগুলো পদ্ধতির মাধ্যমে রুপান্তর করে বেশ পাকা করা হয়।এ রুপান্তর করনকে Diazotising and developing  বলা হয়।

এ রঞ্জক বেশি ব্যয়বহুল। তাছাড়া ডায়োজোটাইজড রং বেশ দামি। ডায়োজোটাইজড রং প্রয়োগ করার সময় প্রথমে তন্তু বা বস্ত্রকে রঙের দ্রবনে ডুবাতে হয়। এরপর রঙের দ্রবন থেকে তুলে বস্ত্রকে ভালোভাবে ঝেড়ে সোডিয়াম নাইট্রেট এবং হাইড্রোক্লোরিক বা সালফিউরিক এসিড এর ঠান্ডা দ্রবনে নিমজ্জিত করতে হয়। এ প্রক্রিয়াকে বলা হয় ডায়োজোটাইজিং। এরপর বস্ত্রটিকে একটি ডেভেলপার দ্রবনে ডুবানো হয়। এ পদ্ধতিতে সাধারণত বিট ন্যাপথল,আলফা ন্যাপথল বা ফেনল ডেভেলপর হিসেবে কাজ করে।

ডাইং এ ব্যবহৃত কেমিক্যালগুলো কি কি?

  • সোডা
  • পার-অক্সাইড
  • ডিটারজেন্ট
  • স্টেবিলাইজার
  • এন্টিক্রিজিং এজেন্ট
  • ওয়েটিং এজেন্ট
  • সিকুস্টারিং এজেন্ট
  • এলজিনেট গাম
  • রিডাকশন এজেন্ট
  • এনজাইম
  • সোপিং এজেন্ট
  • এন্টিফোমিং এজেন্ট
  • সফেনার
  • হাইড্রোজ
  • লবন
  • লেভেলিং এজেন্ট
  • PVA গাম
  • ফিক্সিং এজেন্ট
  • O.B.A
  • হাইড্রোজ রিমুভার
  • এসিটিক এসিড
  • ডিস্পারসিং এজেন্ট
  • অয়েল রিমুভার
  • সোডিয়াম এসিটেট
  • লুব্রিকেন্ট
  • প্রোটনিক কেমিক্যাল
  • এপ্রিটন
  • বায়ো-স্কাওরিং কেমিক্যাল

 সোডা কি?

কালার ফিক্সং করে কোভেলেন্ট বন্ড তৈরি করে। তাছাড়া PH কন্ট্রোল, ফেব্রিকের এবজরবেন্সি বাড়ানোর জন্য  ব্যবহার করা  হয়।

পার-অক্সাইড কি?

ফেব্রিকের মধ্যে থাকা ন্যাচারাল গ্রে কালার রিমুভ করতে ব্যবহার করা হয়। 

ডিটারজেন্ট কি?

ওয়েটিং অথবা ক্লিনিং এজেন্ট হিসাবে ব্যবহার করা হয়।

স্টেবিলাইজার কি?

পার-অক্সাডের রিয়েকশন স্টেবল করার জন্য ব্যবহার করা হয়। এটি ব্যবহার না করললে পার-অক্সাইড খুব দ্রুত ভেঙে পার-হাইড্রোক্সিল আয়ন গুলি শেষ করে ফেলবে, যা ব্লিচিং এর জন্য দায়ী।

এন্টিক্রিজিং এজেন্ট কি?

নিটিং এর পর ও ওয়েট প্রসেসিং এর সময়  ফেব্রিকে ভাজ অথবা ক্রিজ পরে ফলে সেড আন-ইভেন আসতে পারে। ডাইং এর সময় তাই তা দূর করতে এক ধরনের ক্রিজ রিমুভার ব্যবহার করা হয় যেন ক্রিজ না পরে। এটি লুব্রিকেশন টাইপ এর কেমিক্যাল।

ওয়েটিং এজেন্ট কি?

সারফেস টেনশন দূর করে ফেব্রিকের ভিজানোর ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য ব্যবহার করা হয়। এটি ওয়েটিং প্রপার্টি ইম্প্রুভ করে।

সিকুস্টারিং এজেন্ট কি?

পানির মধ্যে থাকা মেটাল আয়ন, হার্ডনেস রিমুভ করতে  ও পানিকে সফট করতে ব্যবহার করা হয়।

এলজিনেট গাম কি?

এটি ন্যাচারাল গাম, যা লিকার সলিউশন এর ভিসকোসিটি বাড়াতে সাহায্য করে।

রিডাকশন এজেন্ট কি?

ফেব্রিকের সারফেসে লেগে থাকা এক্সট্রা ডাইস দূর করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

সোপিং এজেন্ট কি?

অতিরিক্ত কালার দূর করার জন্য ফেব্রিক ওয়াস করার সময় ব্যবহার করা হয়। এটি লিকুইড সোপ।

এনজাইম কি?

ফেব্রিকের হেয়ারিনেস দূর করতে ও সফট  করতে ব্যবহার করা হয়। এনজাইম পিলিং দূর করে।

এন্টিফোমিং এজেন্ট কি?

ডাই বাথে যেন ফোম ক্রিয়েট না হয়  তা দূর করতে ব্যবহার করা হয় । লিকারে যেনো ফোম না হয় এর জন্য এই কেমিক্যাল ব্যবহার হয়।

সফেনার কি?

ফেব্রিকের সারফেস লাসচার বাড়াতে এবং ফেব্রিক  সফট করতে সাধারনত এটি ব্যাবহার  করা হয়। এটি ফেব্রিক এর হেন্ডফিল এবং সুইটেবিলিটি  বাড়ায়।

হাইড্রোজ কি?

ফেব্রিকের গা থেকে কালার তুলতে ব্যবাহার করা স্ট্রিপিং এর সময়। একে রিডিউসিং এজেন্ট বলে।

লবণ কি?

ইলেকট্রো লাইট অর্থাৎ ফেব্রিকের সারফেসে , ডাই-বাথ থেকে ডাইস আনতে সাহায্য করে । চার্জ নিউট্রাল করে।

লেভেলিং এজেন্ট কি?

ফেব্রিকের মধ্যে ডাইস কেমিক্যাল সমানভাবে যেন ডিস্ট্রিবিউশন হয় তার জন্য ব্যবহার করা হয়। একে ডাই রিটেন্ডারিং এজেন্ট বলে।

PVA গাম কি?

PVA হল পলি ভিইনাইল এলকোহল এটি একটি পলিমার, এটি ফেব্রিককে হার্ড বা শক্ত করে।

ফিক্সিং এজেন্ট কি?

কালার ফিক্স করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

O.B.A: কি?

অপটিক্যাল ব্রাইটেনার ফেব্রিকের ব্রাইট অপটিক্যাল ব্রাইটেনার ফেব্রিকের ব্রাইটনেস, হোয়াইটনেস বাড়াতে ব্যবহার করা হয়।

হাইড্রোজ রিমুভার কি?

হাইড্রোসের কর্মক্ষতা দুর্বল ও দূর করতে ব্যবহার করা হয়।

এসিটিক এসিড কি?

ফেব্রিককে নিউট্রাল করতে, বেসিক কন্ডিশন দূর করতে & PH কন্ট্রোল করতে ব্যবহার করা হয়। এটি টেক্সটাইলএ সর্বাধিক ব্যাবহৃত এসিড।

ডিস্পারসিং এজেন্ট কি?

পলিস্টার ফেব্রিকে ডাইস যেন সমভাবে প্রবেশ করে তার জন্য ব্যবহার করা হয় । এটি পলিস্টার এর লেভেলিং ও বলা যায়।

অয়েল রিমুভার কি?

ফেব্রিকের গায়ে থাকা অয়েল মার্ক দুর করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

সোডিয়াম এসিটেট কি?

পলিস্টার  ডাইং এর সময় PH যেন স্টেবল অথবা কন্ট্রোল থাকে তার জন্য ব্যবহার করা হয়। একে বাফারিং এজেন্টও বলে।

লুব্রিকেন্ট কি?

টেক্সটাইল ম্যাটেরিয়াল এর ভেতরের স্ট্যাটিক ইলেক্ট্রিসিটি দূর করার জন্য  লুব্রিকেন্ট ব্যবহার করা হয়।

প্রোটনিক কেমিক্যাল কি?

ফেব্রিকের লাইন মার্ক দূর করতে ব্যবহার করা হয়।

এপ্রিটন কি

এটি ক্যালসিয়াম অক্সাইড জাতীয় কেমিক্যাল , এটি কাপড় কে হার্ড করে।

বায়ো-স্কাওরিং কেমিক্যাল কি?

মাল্টিপারপাস ট্রেটমেন্ট এর উদ্দেশে ব্যবহার করা হয় বিশেষ করে স্কাওরিং, ব্লিচিং, এনজাইম একসাথে।
Textile BD

Founder and Editor of Textile BD. He is a Textile Blogger & Entrepreneur. He is working as a textile job in Bangladeshi companies.

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন (0)
নবীনতর পূর্বতন